মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

ভাষা ও সংষ্কৃতি

ভাষা

এই উপজেলার অধিবাসীরা মূলত শুদ্ধ বাংলা ভাষায় কথা বলে। এ অঞ্চলটি ব্রিটিশ আমলে ভারতের জলপাইগুড়ি জেলার অংশ থাকার কারনে এ অঞ্চলের ভাষা জলপাইগুড়ি এলাকার ভাষার সাথে অনেকটা মিল রয়েছে। তবুও এ এলাকার লোকজনের ভাষার মাঝে আঞ্চলিক ভাষার প্রচলন রয়েছে।

 

এই  অঞ্চলের লোকসমাজে প্রচলিত ভাষার লক্ষ্যণীয় কিছু বিশেষ দিক নিম্নেপ্রদত্ত হলো-

1.   ক্রিয়াপদের আগে‘না’এর ব্যবহার। যেমন ; না খাওঁ (খাইনা), না যাওঁ (যাইনা)।

2.   র’বর্ণের সহলে‘অ’বর্ণ ব্যবহারের প্রবণতা। যেমন ; অং (রং), অসূণ (রসূণ)।

3.   ল’বর্ণের সহলে‘ন’বর্ণ ব্যবহারের প্রবণতা। যেমন ; নাল (লাল), নাউ (লাউ)।

4.   স্থানের নামের শেষের বর্ণে এ-কারথাকলে তা তুলে দিয়ে শব্দের শেষে‘ত’বর্ণ যুক্তকরণের প্রবণতা। যেমন; মাঠত (মাঠে), ঘাটত (ঘাটে), হাটত (হাটে)।

5.   ভবিষ্যতে স্বয়ং কর্ম সম্পাদনের ক্ষেত্রে ক্রিয়াপদের শেষে‘ম’বর্ণ ব্যবহারের প্রবণতা। যেমন ; যাইম, খাইম, দেখিম।

6.   সম্বোধনের ক্ষেত্রে ব্যবহুত কতিপয় শব্দের উদাহরণ হচ্ছে- মুঁই (আমি), হামরা (আমরা), তুঁই (তুমি), তোমরাগুলা (তোমরা), অঁয় (সে), ওমরা/ওমরাগুলা (তারা)।

 

সংস্কৃতি

এই অঞ্চলের লোকজন সংস্কৃতিমনা। অতীত কাল থেকেই এই অঞ্চলে সংস্কৃতি চর্চা হয়ে আসছে। এই অঞ্চলের নিজস্ব সংস্কতির মধ্যে ভাওয়াইয়া গান উল্লেখযোগ্য। এছাড়া পালাগান,র্মুশিদিগান,বাউলগান ও যাত্রাপালার প্রচলন ছিল। সময়ের বির্বতনে অনেকটা কমে গেলেও কিছু কিছু সংগঠন এখনো তা ধরে রাখার চেষ্টা করছে।